স্টাফ রিপোর্টার
সামিউল হাসানের ইচ্ছা ছিল ডাক্তার হওয়ার। সেই প্রচেষ্টাও ছিল তাঁর। কিন্তু বিধিবাম। মেডিকেলে চান্স হয়নি বলে হতাশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। কিন্তু অদম্য পরিশ্রম, সীমাহীন ধৈর্য্যরে ওপর ভর করে সামিউল বাংলাদেশের প্রথম সারির ৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে অন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সামিউল হাসান সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের দরিদ্র কৃষক আব্দুস সালামের ছেলে। তাঁর এ সাফল্যের গল্প এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়েছে।
সামিউল হাসান ধর্মপাশা জনতা মডেল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি ও মিরপুরের পল্লবী সরকারি কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি পাস করেন। পরে এবারের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার পাশাপাশি সামিউল হাসান দেশের ৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। এর মধ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (গুচ্ছ), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পান। স্থানীয়রা মনে করছেন, তাঁর এ সাফল্য হাওরের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আগামীর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বপ্ন দেখা অসংখ্য শিক্ষার্থীর জন্য এক উজ্জ্বল অনুপ্রেরণা। স্থানীয়দের বিশ্বাস, অক্লান্ত পরিশ্রম আর নিষ্ঠার মাধ্যমে সামিউল একদিন নিজেকে আলোকিত করার পাশাপাশি দেশকে আলোকিত করার কাজে ভূমিকা রাখবেন।
সামিউল হাসানের বড় ভাই আমান উল্লাহ জানিয়েছেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সামিউল ফার্মেসি সাবজেক্ট পেয়েছে। এ সাবজেক্টেই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবে সামিউল।
প্রযুক্তি সহায়তায়: softhost
Leave a Reply